Posts

Showing posts with the label সিনেমা

Adolescence

Image
  ‘ইনসেল’ (Involuntary Celibate) সংস্কৃতি সম্পর্কে কিছু জানা আছে? এই অর্থ অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্রহ্মচর্য পালনকারী।       ১৯৯০-এর দশকে একজন কানাডিয়ান নারী প্রথম ‘ইনসেল’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন এমন ব্যক্তিদের জন্য যারা প্রেম বা যৌন সম্পর্কে অক্ষমতার কারণে কষ্ট পাচ্ছেন। তবে, ২০১০-এর পর এটি একটি অনলাইন সম্প্রদায় ও আদর্শে পরিণত হয়, যা একসময় অত্যন্ত উগ্রবাদী ও নারীবিদ্বেষী ধারণা গ্রহণ করে। এই ‘নারীবিদ্বেষী ধারণা’-র এক টুকরো মর্মান্তিক প্রতিফলন – Adolescence Web Series.       এই ধারনাটির সুস্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায় ঠিক তৃতীয় পর্বে এসে। Adolescence Web Series নিয়ে এত লোকে এত আলোচনা করছেন যে, আমার বোধহয় নতুন করে কিছু বলার নেই। প্রত্যেকটা পর্বের দৃশ্যায়ন single shot-এ, প্রত্যেক পর্বের প্রায় প্রতিটি চরিত্রের নিপুণ অভিনয়, সোশ্যাল মিডিয়া বনাম বর্তমানের কিশোর সমাজ ইত্যাদি নিয়ে অনেক অনেক কথা বলা হয়ে গেছে। বলার কি কিছু বাকি আছে আমার? আছে। নেটফ্লিক্সের এই মিনি-সিরিজ 'Adolescence' ১৩ বছর বয়সী জেমি মিলারকে কেন্দ্র করে, যাকে তার এক সহপাঠীর হত্যার অভিয...

বেবি রেইনডিয়ার

Image
  রিচার্ড গাড --- এমন এক জীবন যাপন করেছেন, যা-র ওয়েব সিরিজ ভার্সানটা দেখার পর আমার মাথাটা এখনও টিসটিস করে যাচ্ছে। সিরিজটা দেখেছি সপ্তাহ হতে চলল, কিন্তু মাথার মধ্যে, বুকের মধ্যে এক-একটা জায়গা এমন আলুথালু হয়ে আছে, যে, সেই জায়গাটা গুছিয়ে নিয়ে ওঠা আমার এখনও হয়ে ওঠে নি।       বেবি রেইনডিয়ার --- ওয়েব সিরিজটার নাম। বিষয়বস্তু – মেল রে*।       পুরুষ নির্যাতন এখন আর নতুন কথা না। পুরুষ চিরকালই নির্যাতন হওয়ার কথা বলতে ভয় পায়। তার লজ্জা লাগে। এই বিষয়ে সে ঠিক সহজাত নয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হওয়ার কারণেই কি? অনেকদিন আগে একটা সিনেমা দেখেছিলাম, Section 377, তা নিয়ে আলোচনাও করেছিলাম। নারী নির্যাতনের আইন আজ নারীর অলঙ্কার হয়ে উঠছে। এমন অমোঘ অস্ত্র, যা, সত্যকে বিচ্যুত করছে।       কিছুদিন আগে IPC ধারা পরিবর্তন হয়ে এল BNS ধারা। সেখানে প্রসঙ্গাক্রমে টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় ( JULY 14 ) , একটা কলামে দেখতে পাই লেখা আছে, “ The reality is even harder. The Baratiya Nyay Sanhita (BNS), which has replaced the IPC, no longer recognizes sexual...

BLACK WARRANT

Image
‘তিহাড় জেল’ কথাটার সাথে আমি যে বিশেষণের সাথে পরিচিত ছিলাম, তা হল, কুখ্যাত। অর্থাৎ, তিহাড় জেলে ভারতের সবচেয়ে অন্ধকার জগতের বন্দীরা থাকে। তিহাড় জেল সম্পর্কে এর বেশি আমার আর কোন ধারনা ছিল না।       ধারণা ভাঙল ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’ নামে ওয়েব সিরিজটা। NETFLIX-এ সদ্য আগত সিরিজ আমাকে অভিভূত করল।       BLACK WARRANT = a court order that authorizes the execution of a convicted person. It's also known as a death warrant or execution warrant.       সুনীল গুপ্তা এবং সুনেত্রা চৌধুরী মিলে একটি বই লেখেন, আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে, ২০১৯ সালে। এই সুনীল গুপ্তা তিহাড় জেলের জেলার ছিলেন। মাত্র ১৭৮ পেজের এই বইটা থেকে যে ওয়েব সিরিজ বানিয়ে দেখালেন Vikramaditya Motwane এবং Satyanshu Singh, তা বিস্ময়কর। আট পর্বের এই সিরিজ এক টুকরো দলিল।       এই সিরিজ কোন আঙ্গিককেই বাদ দেয় নি। জেলারদের ব্যক্তিগত সমস্যা, জেলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, রাজনৈতিক উত্থান-পতনে এর প্রভাব, জেলবন্দীদের রোজনামচার টুকরো টুকরো ছবি, জেলের নিজস...

ম্যানহ্যাটন

Image
  “Everybody gets corrupted. You have to have a little faith in people.” 1985 সালের ম্যানহ্যাটন কিম্বা 2024 সালের কলকাতা। নাগরিক সভ্যতার উদ্ভ্রান্ত দৌড়ের মধ্যে কত কথা, কত তত্ত্ব, কত আলোচনা, কত বুদ্ধির বাহারি ঝিলিক। সমস্তটাই মানুষকে অবশেষে ক্লান্ত করে। সে আসলেই একজন খাঁটি সম্পর্কের মধ্যে নিজের অস্তিত্বকে খুঁজতে চায়। ব্যবহার করতে করতে এবং ব্যবহৃত হতে হতে, মেকি চিন্তার মধ্যে থাকতে থাকতে এবং মেকি বিশ্বাসকে বিশ্বাস করতে করতে ঠিক কোনটা আসলেই সে, সে ভুলে যায়। এই গল্পে আইজ্যাক এক মারাত্মক ট্যালেন্টেড মানুষ। বইয়ের পাতায় পাতায় যে চিন্তাধারার স্রোত বয়ে যায়, তার মধ্যে থেকে সে খুঁজতে থাকে শহর ম্যানহ্যাটনকে। তার বিয়ে ভেঙে যায়। সম্পর্ক হয়ে এমন একজন মেয়ের সাথে যার বয়স মাত্র সতেরো। মেয়েটি তার মধ্যে নিজেকে খুঁজে পেলেও সে মেয়েটির মধ্যে নিজেকে খুঁজে পায় না। একটু সাহস করেই বলা যেতে পারে, আমাদের সমাজকে একটু সরিয়ে দিয়ে, বয়সের অনিশ্চয়তার মধ্যে ভালবাসার ভিতকে সে প্রোথিত হতে দেয় না। সত্যিই তো, মাত্র সতেরো বছরের মেয়ে সে। আর তার নিজের বয়স? বিয়াল্লিশ। আইজ্যাকের বন্ধুর প্রেমিকাকে তার প্রেমিকা করে নেয় ...

One Hundred Years In Solitude

Image
  বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালী’ কিম্বা সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু ট্রিলজি’, Ry ū nosuke Akutagawa-র ‘রসোমন’ কিম্বা Akira Kurosawa-র ‘রসোমন’। সাহিত্যের হাত সিনেমা ধরেছে অনেকবার, সিনেমা ‘কাল্ট’ আখ্যা পেয়েছে। ক্লাসিক সাহিত্যকে সিনেমায় প্রকাশ করার সুবিধা এই, সাহিত্য নিজেই সিনেমার ৮৫ শতাংশ কাজ করে দেয়। বাকি থাকে একটা নিখুঁত চিত্রনাট্য। সংবেদনশীল অভিনয়।       গন্ডগোলটা কি হয় জানেন? যদি সিনেমা সাহিত্যের সেই এসেন্সটাকে ধরতে ব্যর্থ হয়। আবার অনেক সময় উল্টোটাও ঘটে। অতি সাদামাটা একটা সাহিত্য সিনেমার হাত ধরে ‘কাল্ট’ হয়ে গেছে, এমন উদাহরন খুব একটা কম নয়।       One Hundred Years In Solitude-এর সমস্যা কিন্তু ভয়ঙ্কর। একে বইটা শুধু তার জন্মলগ্ন থেকেই ‘ক্লাসিক’ নয়, ‘কাল্ট’ নয়, রীতিমতো বাইবেলের পরেই সর্বাধিক বিক্রীত বই; তার ওপর ‘পাটা’ কোন গল্প নয়, স্তরের পর স্তর এক-একবার পড়লে আবিস্কার করা যায়; সেই সাথে ম্যাজিক রিয়েলিজমের এমন এক চূড়ান্ত উদাহরণ সারা বিশ্ব সাহিত্যে হাতে গোনা আছে; এমনকি স্বয়ং লেখকের সন্দেহ ছিল, এই উপন্যাসকে সার্থক সিনেমায় রূপান্তরিত আদৌ করা সম্ভব...

Mary

Image
  যীশুখ্রীষ্টের মাতা মেরী কিম্বা মরিয়ম, তার কোন সার্থক জীবনীগ্রন্থ নেই। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে, মূলত বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্ট, মাতা মেরীর কিছু কিছু ঘটনা উঠে এসেছে।      কোথায় কোথায় মেরীর উল্লেখ পাওয়া যায়?   New Testament: লূকের সুসমাচার (Gospel of Luke), মথির সুসমাচার (Gospel of Matthew), যোহনের সুসমাচার (Gospel of John), প্রেরিতদের কার্যাবলী (Acts of the Apostles)। Old Testament: মেরীর নাম সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে কিছু ভবিষ্যদ্বাণী তার মাতৃত্বের দিকে ইঙ্গিত করে বলে খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদরা বিশ্বাস করেন (যেমন, যিশাইয় ৭:১৪: "একজন কুমারী গর্ভবতী হয়ে পুত্রসন্তান জন্ম দেবেন")। কোরআন (Qur'an): সূরা আল-ইমরান, সূরা মারিয়াম, সূরা আল-মায়েদা, সূরা আন-নিসা। অ্যাপোক্রাইফাল গ্রন্থ (Apocryphal Texts): বাইবেলের বাইরের কিছু প্রাচীন লেখা। Protoevangelium of James: এখানে মেরীর শৈশব, তার মন্দিরে বাস, এবং যিশুর অলৌকিক জন্মের প্রসঙ্গ রয়েছে। Gospel of the Nativity of Mary: মেরীর জন্ম ও তার পবিত্র জীবন নিয়ে বিশদ আলোচনা রয়েছে এই বইতে। এছাড়াও আরোও কিছু টুকরা টাকর...

স্ত্রী ২

Image
  সিনেমাটা দেখতে দেখতে আমার একটা কথা মনে হচ্ছিল বারবার, আপনারাও একবার ভেবে দেখতে পারেন –       যতদিন মনুষ্য প্রজাতি জীবিত থাকবে, ধর্ম, সমাজ, নীতি-নৈতিকতা, বিজ্ঞান ইত্যাদি সমস্ত কিছুর উপরেও একটাই বিষয় নিজেদের মধ্যে লড়াই করবে। কোন একজন কোনো এক সময়ে অপরজনের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে চলবে।       সেটা হল দ্বিজাতিতত্ত্ব – খুব ভাল করে বললে, স্ত্রীজাতি এবং পুরুষজাতির প্রাধান্য দ্বন্দ্ব।       এই মুহূর্তে সারা বিশ্ব জুড়ে, কোথাও আমার মনে হয়, পুরুষপ্রাধান্যতা থেকে আস্তে আস্তে স্ত্রীপ্রাধান্যতার দিকে সমস্ত মানবসমাজ ‘শিফট্‌’ করছে। খুব ধীরে ধীরে হলেও করছে।       কীভাবে? প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে, সমগ্র সমাজে, কর্মক্ষেত্রে স্ত্রীজাতির খুব একটা বিচরণ ছিল না। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরেই আস্তে আস্তে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আসতে একরকম বাধ্য হয়, এবং তাদের কর্মকুশলতা কিছু কিছু ক্ষেত্রে রীতিমতো প্রাধান্যতা পেয়ে যায়। সমগ্র ইউরোপ এবং আমেরিকা যুদ্ধের কারণেই, মেয়েরা সংসার থেকে সরে এসে মূল সমাজে যোগদান ক...

মামলা লিগাল হ্যায়

Image
  এই সিরিজটা দেখা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও একটাই দৃশ্য বারংবার চোখের সামনে ভেসে আসছে। একটি দৃশ্যে তনভী আজমী আর রবি কিষেণ বসে আছেন আদালতে। আদালতে তখন বিচার চলছে। এই সিরিজে তনভী আজমী বিচারক। তনভী আজমী রবি কিষেণকে নিয়ে এসেছেন একটাই মর্ম বোঝাতে, কেন রবি কিষেণের জাজের পদ গ্রহণ করা প্রয়োজন, কারণ, রবি কিষেণ বিচারক হওয়ার থেকে অ্যাডভোকেট থেকে যাওয়াটা বেশি প্রয়োজনীয় মনে করেছিল। তনভী আজমী বলছেন, একবার অ্যাডভোকেটদের দেখো, পুরো কেসটায় তারা জাজের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারা চায় জিততে। কিন্তু একবার আসামীর দিকে তাকিয়ে দেখো। তার একটাই মিনতি, সে যেন তার প্রার্থিত সঠিক বিচার পায়। সেই বিচারের জন্য সে বিচারকের কাছেই নীরব মিনতি করে। বিচারক তার রায় জানানোর পরে একবার তার চোখে চোখ রাখে। প্রার্থিত বিচার সত্যে অটুট থাকলে তাদের দৃষ্টি বিনিময়ে যে মহান মুহূর্ত তৈরী হয়, সেই মুহূর্তই সভ্যতার, মানবিকতার চরম মুহূর্ত। আমরা, ভারতীয়রা, সেই চরম মুহূর্তকে বড্ডো বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে। আমরা, প্রত্যেকটা মানুষ বিশ্বাস করি ন্যায় বিচারের। নচেৎ, রাজতন্ত্র কিম্বা একনায়কতন্ত্রে কোন একটা দেশে যে কি হাল হতে পারে, তার অ...

Angry Young Men

Image
  দিদি’র বাড়ি কার্যগতিকে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম, ‘আমার বর’(*) নেই। তিনি দিদির সাথে তার ইচ্‌কুল থেকে এখনও ফেরেননি। জামাইবাবু বসেছিল, কিছু একটা দেখছিল বসে বসে। আমাকে দেখেই বলল, এসো আমার হাফ গার্লফ্রেন্ড। অনেকদিন দেখা নেই যে? ‘পথ দখল’ করছিলে বুঝি? আমি জামাইবাবুর পাশে বসে জিজ্ঞাসা করলাম, খালি বাজে কথা! কুট্টিকে (আমার বর) নিয়ে দিদি আসেনি এখনও? জামাইবাবু বললেন, না হে। স্কুলে গেছে। আসতে একটু দেরী হবে। ওখানে আজ প্রোগ্রাম হচ্ছে। জামাইবাবু আমার মাথার তালুতে নিজের হাতের চেটো চেপে ধরল। আমি বললাম, কি হচ্ছে এটা? দেখছি তোর মাথাটা কত্তো গরম থাকে। হ্যাঁ রে! তোর মাথা কি ঠান্ডা হবে না কখনও? এরকম রুদ্রানীই থাকবি? ফেসবুকে যা লিখছিস, লোকে তো বাড়ি এসে ঠেঙ্গিয়ে যাবে তোকে? একটু শান্ত কবে হবি মা? জামাইবাবু আমাকে অনেক ছোট্টোবেলা থেকে দেখে আসছে। ফলে তার কাছে আমি এখনও কচি খুকি-ই আছি। মতিগতিতে আমার সাথে তার ছেলের কোন পার্থক্য সে খুঁজে পায় না। তার মতে, আমরা দুটোই সমান লেভেলের গাধা প্রজাতির মনুষ্য। বোধবুদ্ধি কিচ্ছুই হয় নি, কেবল গায়ে-গতরেই বাড়ছি। আমি বললাম, তাই? তোমার কি মনে হয় যা লিখেছি ভুল লিখেছি? ...

মোজেস

Image
  আব্রাহামিক রিলিজিয়ানে অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তি সম্ভবত মোসেস। কারণ আব্রাহামের দর্শন থেকে মোট সাতটি ধর্ম সম্প্রদায় উৎপন্ন হয়েছে। তাঁর মধ্যে তিনটি প্রধান --- খ্রীষ্টান, ইহুদী এবং মুসলিম। বাকি চারটে হল বাহাই, সামারিটান, দ্রুজ এবং রাস্তাফারি। প্রধান তিনটে ধর্মের যে মূল ধর্মগ্রন্থ সেখানে মোসেস-এর উল্লেখ আছে, বিস্তারিতভাবে। এর মধ্যে ইহুদী এবং খ্রীষ্টধর্মে মোজেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।       গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার বড়ো কারণ – The Promise Land. ঈশ্বর আব্রাহামকে কথা দিয়েছিলেন, তাঁর উত্তরপুরুষেরা এই ‘প্রমিস ল্যান্ড’-এর অধিকারী হবে। কিন্তু বাস্তবে, দেখা যায়, প্রায় চারশো বছর ধরে মিশরের অধীনে তাদের ক্রীতদাস থাকতে হয়। এই সময়ে আসেন মোজেস। ঈশ্বরের বার্তাবাহক হয়ে। মিশরের রাজপরিবারে তাঁর বড়ো হয়ে ওঠা, সেখান থেকে পলায়ন, সিনাই পর্বতে ঈশ্বরের মুখোমুখি হওয়া, মিশরে ফিরে এসে ইহুদিদের মিশর থেকে স্বাধীন করা, তারপর এক অজ্ঞাত ক্ষমতা প্রয়োগে রেড সী-র মধ্যে দিয়ে সোজা আবার সিনাই পর্বতে ফিরে আসা। এরপর তিনি আর বেশিদূর এগোতে পারেন নি তাঁর সম্প্রদায়কে নিয়ে। নেবো পর্বতের পাদদেশে তাঁর মৃত্যু হ...