শারদীয়া কান্ড
সকালবেলা। তা বলে বেশি সকাল নয়। চারিদিকে পাখী টুকুটুকু ডাকছে। আকাশে এই মেঘ-বৃষ্টি-রোদ। বাতাস তেমন না বইলেও একটু ভ্যাপসা গরম সইয়ে নেওয়া যায়। রাস্তা দিয়ে সবজিকাকা ভ্যানে করে প্রাণপণে চিল্লাতে চিল্লাতে যাচ্ছে , ' সবজি নেবে গো ' বলে ; তার পেছনে সাইকেলে মাছ নিয়ে মাছজ্যেঠু ; আর এরই মাঝে ' ফুরররররর... ' বাঁশির আওয়াজ দিয়ে জঞ্জালদা। এদের প্রত্যেকেরই আবাহনের আলাদা আলাদা সুর, পদ্ধতি। আর সেই আবাহন অনেকটা মহালয়ার মহিষাসুরমর্দিনী ' র মতো। অমোঘ ডাকে ছেলে-বুড়ো-মেয়ে-বুড়ি উঁকি দেয় , ঘর থেকে বেরিয়ে আসে আর তারপরেই মৃদুমন্দ সকালের নীরবতার মাঝে ইন্টালেকচুয়ালি দরদাম করে। আমি এরই মাঝে উদাস মনে বক্স জানলায় বসে পা দুলিয়ে দুলিয়ে কফি খাচ্ছিলাম। এমন সময় --- পিঠে চটাস করে এক চড় এবং তারপরেই--- ধুম-ধাই-ধপ--- মা ঘর্মাক্ত এবং আরক্ত মুখে বিছানায় যে জিনিসগুলো রাখল , দেখে আমার হাড় হিম। মনে হল মাছজ্যেঠুর সাথে রাস্তায় নামি ‘মাছ চাই মাছ’ বলে চিল্লাতে চিল্লাতে , কিম্বা নিদেনপক্ষে মাতাল জঞ্জালদার সাহচর্যের কথা ভাবলেও আমার কাছে এই মুহূর্তে নিরাপদ ঠেকছে... এদিক ওদিক তাকালাম , ...