একই চরিত্র – ছায়ায় মায়ায় – অনেক চরিত্র
“’ অদ্বৈতসিদ্ধি ’ গ্রন্থটি সে সমাপ্ত করিয়াছে। ইহার কঠোর যুক্তিজাল সে আজিকালি অধ্যাপনা করে। এইসব অন্ধকার রাত্রির গর্ভের ভিতর বসিয়া সংশয় আসে, কে তাহার গ্রন্থ মনে রাখিবে? শতাব্দী অতিক্রান্ত হইবার পর কেহ ইহা পড়িবে কি? অথবা, ইহা একটা নামমাত্র বাঁচিয়া রহিবে? এত কঠিন বিতর্কবিন্যাস ভাবীকালের মানবকের উপযোগীতাবাদী মস্তিষ্কে প্রবেশ করিতে পারিবে? অথবা, সে শুধু একটা কিংবদন্তী হইয়া বাঁচিয়া রহিবে? ইহার বেশি কিছু নয়! কেহ বলিতে পারে না। কত মহামহোপাধ্যায়ের গ্রন্থ কালের বিবরে হারাইয়া গিয়াছে, এ গ্রন্থও সেইসব লুপ্তচিহ্ন গ্রন্থরাজির পন্থা অনুসরণ করিবে কি না, কোন্ ক্রান্তদর্শী তাহা বলিয়া দিতে পারে? ” সন্মাত্রানন্দের ‘ছায়াচরাচর’ উপন্যাসের প্রোটাগনিস্ট চরিত্র মধুসূদন সরস্বতী এক পর্যায়ে এসে এমন একটা ভাবনা ভাবছেন। তিনি জীবদ্দশায় কিংবদন্তী হয়ে পড়েছিলেন, এতটাই যে, জ্ঞানী অদ্বৈতবাদী এই সন্ন্যাসী সম্পর্কে প্রচলিত ছিল, বেত্তি পারং সরস্বত্যাঃ মধুসূদনসরস্বতী। মধুসূদনসরস্বত্যাঃ পারং বেত্তি সরস্বতী।। মধুসূদন সরস্বতীর জ্ঞানের সীমানা যে কোথায়, ...