ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট
১ চিন্তায় পড়ে গেল রাস্কলনিকভ, “কিন্তু আমার চিন্তা যদি মিথ্যা হয়ে থাকে!”—আচমকা আপনা-আপনি বেরিয়ে এলো তার মুখ থেকে। “মানুষ যদি সত্যি-সত্যি ইতর প্রাণী না হয়ে থাকে—অর্থাৎ, সাধারণভাবে, সামগ্রিকভাবে মানবজাতি যদি তা না হয়ে থাকে—তাহলে দাঁড়াচ্ছে এই যে, বাদবাকি যা থাকছে... সব... নেহাত সংস্কার... কেবল মনগড়া ভয়। বাধা-বাঁধন বলে কিছু নেই—তাই এমনটাই হওয়া উচিত...।” লিখছেন দস্তয়েভস্কি, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট উপন্যাসে। বেশ কয়েক বছর পরে ফিরে এলাম দস্তয়েভস্কির এই উপন্যাসের কাছে। মনে আছে, প্রথমবার যখন পড়েছিলাম, তখন ইম্পর্ট্যান্ট হয়ে দাঁড়িয়েছিল ঘটনার গতিপ্রকৃতি। আমার কম বয়সের জন্য? কম ম্যাচিউরিটির জন্য? অথবা কাল্ট সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যই এই—প্রতিবার পাঠকের কাছে নতুন করে ধরা দেয়। কিন্তু এবার প্রতিটা বাক্য যে আবহ তৈরি করছে, তার দিকে চোখ পড়ছে। এমন কিছু খুঁটিনাটির দিকে চোখ পড়ছে, যা আগে কখনও চোখে পড়ে নি। এই কথাগুলোতে এসে ধাক্কা খেলাম। কেন? দস্তয়েভস্কি এই কথাগুলো লিখছেন উপন্যাসের প্রায় শুরুতেই—সোনিয়ার বাবা মার্মেলাদভের সঙ্গে কথোপকথন শেষে, তাকে তার ব...